About Us Home /About Us
আমাদের সম্পর্কে
আসসালামু আলাইকুম।
আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের মাদ্রাসার লক্ষ্য হল আমাদের সন্তানদের ইসলামী পরিবেশে শিক্ষা প্রদান করা, শিক্ষার্থীদের প্রতিভার বিকাশের লক্ষ্যে বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের পাশাপাশি সহীহ-শুদ্ধ ভাবে কোরআন তেলাওয়াত এবং একজন মুসলিমের মৌলিক ফরজ বিষয়গুলোর শিক্ষা প্রদান। সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একজন শিশূকে পরিপূর্ণ মুসলিম হিসাবে প্রতিষ্ঠা করা। উত্তম আখলাক গঠনে সঠিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া।
আজ পাশ্চাত্য এবং অ-ইসলামী সংস্কৃতি আমাদের শিশুদের জীবনযাত্রার উপর জয়লাভ করেছে। আমাদের অবশ্যই আমাদের নতুন প্রজন্মকে পাশ্চাত্যের অ-ইসলামী আগ্রাসন থেকে রক্ষা করতে হবে এবং একই সাথে আমাদের চারপাশে তথাকথিত ইসলাম "ইসলামের নামে ফিতনা" থেকে তাদের রক্ষা করতে হবে। আমরা চাই আমাদের নতুন প্রজন্ম যেন বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ইত্যাদি হয়, তবে তাদের অবশ্যই "প্রথমে ভাল মুসলমান এবং ভাল নাগরিক" হতে হবে। আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে ""Our complete success in complete DEEN"."
আপনার সন্তানদের এমন হাতে তুলে দেবেন না যাদের জীবনে দীন (ইসলামী বিশ্বাস) নেই। ইসলামী পরিবেশের মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠাবেন যেখানে ইসলামী চরিত্রের বিকাশ প্রথমে আসে, কুরআনের শিক্ষা আবশ্যক এবং আধুনিক শিক্ষার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়। বর্তামানে আমাদরে মাদ্রাসায় নূরানী পদ্ধতিতে নূরানী তা’লীমুল কুরআন বোর্ড বাংলাদেশ এর তত্বাবধানে শিশু 1ম বর্ষ (প্লে), শিশু 2য় বর্ষ (নার্সারি), 1ম জামাত (1ম শ্রেণি), 2য় জামাত (2য় শ্রেণি), 3য় জামাত (3য় শ্রেণি) এর কার্যক্রম চালু রয়েছে। ভবিষ্যতে নতুন নতুন শ্রেণি ও বিভিন্ন শাখা চালু করা হবে।
এটি একটি ইসলামিক স্কুল এবং এখানকার একজন ছাত্র প্রথমে একজন সত্যিকারের মুসলিম এবং তারপর একজন শিক্ষিত ব্যক্তি হয়ে ওঠে। আমাদের শিক্ষকরাও এই মানসিকতার এবং তারা সবসময় কোরান ও সুন্নতের উপর অনেক জোর দেন। এই প্রতিষ্ঠানে পর্দা গুরুত্ব সহকারে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। আমাদের সকল বিভাগের শিক্ষকরা অত্যন্ত যোগ্যতাসম্পন্ন এবং অত্যন্ত অভিজ্ঞ। আমরা নিয়মিতভাবে জাতীয় ও ইসলামী উৎসব সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করি। নিয়মিত ক্লাস পার্টি, বিতর্ক অনুষ্ঠান, কেরাত প্রতিযোগিতা, পিকনিক, জলসা এবং বার্ষিক ক্রীড়াও নিয়মিত বিরতিতে আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব এবং দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রায়শই পুরস্কৃত করা হয়। উচ্চ শিক্ষিত এবং সামাজিকভাবে অত্যন্ত বিখ্যাত পণ্ডিতরা আমাদের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত এবং তারা সবসময় এর মান ও অগ্রগতির উন্নতি করার চেষ্টা করে চলেছেন। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি হল আমাদের সুযোগ-সুবিধাগুলিকে ক্রমাগত উন্নত করা, একটি ইসলামিক পরিবেশের মধ্যে নিজেদেরকে একটি বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা এবং উন্নীত করা এবং সারা বিশ্বে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রগতিশীল কর্মসূচির আরও উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন করা ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ আমাদের এই কর্মসূচি সফল করতে সাহায্য করুন।
মাদ্রাসার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার ভান্ডারকোট গ্রামে মনোরম পরিবেশে অবস্থিত ইসলামিক ও আধুনিক শিক্ষার সংমিশ্রণে ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভান্ডারকোট ক্যাডেট মাদ্রাসা 2021 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে অদ্যবধি সুনামের সহিত পরিচালিত হয়ে আসছে। বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের পাশাপাশি সহীহ-শুদ্ধ ভাবে কোরআন তেলাওয়াত এবং একজন মুসলিমের মৌলিক ফরজ বিষয়গুলোর শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়। স্থানীয় ব্যাক্তিবর্গের আন্তরিক সহযোগিতায় এই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়; যা একটি বেসরকারি এবং অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। 2022 সালে নূরানী পদ্ধতিতে নূরানী তা’লীমুল কুরআন বোর্ড বাংলাদেশ এর তত্বাবধানে শিশু 1ম বর্ষ (প্লে), শিশু 2য় বর্ষ (নার্সারি), 1ম জামাত (1ম শ্রেণি) এ মোট 35 জন শিক্ষার্থী নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম চালু হয়। বর্তামানে মাদ্রাসায় নূরানী পদ্ধতিতে নূরানী তা’লীমুল কুরআন বোর্ড বাংলাদেশ এর তত্বাবধানে শিশু 1ম বর্ষ (প্লে), শিশু 2য় বর্ষ (নার্সারি), 1ম জামাত (1ম শ্রেণি), 2য় জামাত (2য় শ্রেণি), 3য় জামাত (3য় শ্রেণি) এর কার্যক্রম চালু রয়েছে। ভবিষ্যতে নতুন নতুন শ্রেণি ও বিভিন্ন শাখা চালু করা হবে। মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পর থেকে যোগ্য , অভিজ্ঞ , দক্ষ শিক্ষক মন্ডলীর তত্বাবধানে ধর্মীয় নৈতিকতা, দেশ প্রেমের মূল্যবোধ এবং সুনাগরিক হিসেবে কোমলমতি শিশুদের পরিণত করতে বিশেষ ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে।প্রধান শিক্ষকের বাণী
ইসহাক বিন আমীর
প্রধান শিক্ষক
সম্মানিত সুধি, আসসালামু আলাইকুম।
আলহামদুলিল্লাহ, সর্বশক্তিমান আল্লাহ আমাকে এমন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান "ভান্ডারকোট ক্যাডেট মাদ্রাসা" এর সাথে যুক্ত করেছেন যেখানে বাবা-মায়েরা আধুনিক শিক্ষা এবং ইসলামী পরিবেশ উভয় ক্ষেত্রেই তার সন্তানের কর্মজীবনকে বিশ্বমানের মানের সাথে গড়ে তোলার সুযোগ পান। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আপনি বলুন, যারা জানে আর যারা জানে না, তারা কি সমান হতে পারে?” (সূরা যুমার- ০৯) । শিক্ষা ছাড়া জাতিকে উন্নতির শিখরে পৌঁছানো সম্ভব নয়। শিক্ষিত জাতি মানেই উন্নত জাতি। শিক্ষার জন্য প্রয়োজন যুগোপযোগী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সে লক্ষ্যে ভান্ডারকোট ক্যাডেট মাদ্রাসা পরিচালিত হচ্ছে। আমরা একটি সম্পূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থায় বিশ্বাস করি, যা আমাদের শিশুর শারীরিক, মানসিক, চারিত্রিক এবং আধ্যাত্মিক বিকাশের ব্যবস্থা করে। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি হল আমাদের সুযোগ-সুবিধাগুলিকে ক্রমাগত উন্নত করা, একটি ইসলামিক পরিবেশের মধ্যে নিজেদেরকে একটি বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা এবং উন্নীত করা এবং সারা বিশ্বে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রগতিশীল কর্মসূচির আরও উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন করা ইনশাআল্লাহ। আমাদের এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে জন্য, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, অভিভাবক এবং এলাকা বাসীসহ সকলের আন্তরিক পরামর্শ ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা রাখছি। আমরা যেন আমাদের দায়িত্ব নিরলসভাবে পালন করে যেতে পারি আল্লাহ রাব্বুল আলীমের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি সেই সাথে সকলের দোয়া কামনা করছি।Head Of Institution Speech
মো: হাফিজুর রহমান শেখ
পরিচালক
সম্মানিত সুধি, আসসালামু আলাইকুম।
সকলের প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সেই সর্বোত্তম যে কুরআন মাজিদ শিখে এবং অপরকে শেখায়!’ অমীয় এই বাণীকে সামনে রেখে শিশুদের হৃদয়ে ইসলামের সঠিক শিক্ষা গেঁথে দেওয়ার পাশাপাশি বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও শুদ্ধরূপে কুরআন শরীফ পড়ার শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভান্ডারকোট ক্যাডেট মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়।
তোমরাই সর্বোত্তম জাতি, তোমাদেরকে মানবতার কল্যাণে সৃষ্টি করা হয়েছে-” [সূরা আলে-ইমরান- ১১০]। অবারিত সম্ভাবনার এ বাংলাদেশের মানবসম্পদকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলা, অবহেলিত মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন, আদর্শ মানুষ তৈরি, বেকারত্ব দূরীকরণে সঠিক শিক্ষা প্রদান, জাতি গঠনে বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ, আর্ত-মানব সেবা, গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা, ইসলামি সংস্কৃতির লালন ও বিকাশ সাধন, সুশিক্ষা বিস্তারে মননশীল প্রকাশনা, আলকুরআন শিক্ষার প্রচার ও প্রসারসহ নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে এই মাদ্রাসা । ভান্ডারকোট ক্যাডেট মাদ্রাসা একটি অলাভজনক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান; যা 2021 সাল থেকে একটি শিক্ষা মিশন হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। এই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় যারা পাশে থেকে পরামর্শ, শ্রম এবং আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন; তাদের সকলকে আল্লাহ কবুল করুন এবং উত্তম প্রতিদান দিন। সকলের পরামর্শ, শ্রম ও আর্থিক অনুদান কামনা করছি।লক্ষ্য
আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের মাদ্রাসার লক্ষ্য হল আমাদের সন্তানদের ইসলামী পরিবেশে শিক্ষা প্রদান করা, শিক্ষার্থীদের প্রতিভার বিকাশের লক্ষ্যে বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের পাশাপাশি সহীহ-শুদ্ধ ভাবে কোরআন তেলাওয়াত এবং একজন মুসলিমের মৌলিক ফরজ বিষয়গুলোর শিক্ষা প্রদান।
উদ্দশ্যে
শিক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ কুরআন, ইসলামী দ্বীনি তাহযীব, তামাদ্দুন সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া।
সঠিক আক্বীদা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রচার ও প্রসার করা।
কুরআন-হাদীস, মাসায়লে এবং যুগোপযুগী বাংলা, গণিত, ইংরেজী শিক্ষার ব্যবস্থা করা।
শিশুদের প্রতিভার সঠিক বিকাশের জন্য সহপাঠ্যক্রম কার্যক্রম গ্রহণ।
আমাদের বৈশিষ্ট্য
বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের পাশাপাশি সহীহ-শুদ্ধ ভাবে কোরআন তেলাওয়াত এবং একজন মুসলিমের মৌলিক ফরজ বিষয়গুলোর তালিম দেয়া।
নূরানী প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত শিক্ষক দ্বারা নূরানী পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষা।
বিষয়ভিত্তিক দক্ষ শিক্ষক দ্বারা পাঠদান।
আরবি ও ইংরেজি ভাষার উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ।
নূরানী তা’লীমুল কুরআন বোর্ড বাংলাদেশের কারিকুলাম/সিলেবাস অনুসরণ করা।
মাসিক মডেল টেস্টেরে মাধ্যমে শিক্ষার্থীর অগ্রগতি মূল্যায়ন।
মনোরম ও নিরিবিলি পরিবেশ ও কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা।
নৈতিক মানোন্নয়নে বিশেষ কার্যক্রম।
নিয়মিত বিনোদন ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম।
সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিভা বিকাশে বিশেষ কার্যক্রম।
সকল শ্রেণিতে কম্পিউটার শিক্ষা।
গ্রেডিং পদ্ধতিতে Website এ ফলাফল প্রকাশ।
আপনার সন্তানকে ক্লাস থ্রি শেষে যেকোন স্কুল/মাদ্রাসায় ক্লাস ফোরে ভর্তি করাতে পারবেন।
ক্যাডেট সিস্টেমে পরিচালিত
ইসলামিক আদব শেখানো।
নিয়মানুবর্তিতা ও সময়ানুবর্তিতা শেখানো।
সুশৃঙ্খলতা শেখানো।
নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন।
ইনডোর ও আউটডোর খেলাধুলা অনুশীলন।
নির্ধারিত সময়ে জামায়াতে সালাত আদায়।
সহপাঠ্যক্রম কার্যক্রম
ব্যাসিক কোর্স ও হস্তাক্ষর প্রশিক্ষণ
মাসায়েল / প্রশ্নোত্তরের আসর
ক্বিরাত/ হুসনে সওত / হদর মাহফিল
সীরাতুন্নবী সা.মাহফিল
মিনি স্টাডি ট্যুর
বিতর্ক প্রতিযোগিতা
কালচারাল প্রেজেন্টেশন ডে
বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম
বোর্ড পরীক্ষার্থীদের জন্য গাইডলাইন প্রোগ্রাম ও দু’আ
শিক্ষাসফর (ক্লাসভিত্তিক)
ডিসিপ্লিন ডে/সপ্তাহ
বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী
মাদ্রাসা বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য জাতীয় দিবস সমূহ।
ছাত্র-ছাত্রীদের করণীয়
উস্তাদগণের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী মেহনত করা।
দৈনিক হাতের লেখা সহ বাড়ির কাজ (হোম ওয়ার্ক) সমূহ করে আসা।
মৌখিক বিষয়গুলো বাড়িতে বার বার পড়া।
প্রত্যেক ছাত্র/ছাত্রী ক্লাস শুরু হওয়ার ১৫মিনিট পূর্বে মাদ্রাসায় উপস্থিত হওয়া।
প্রতিদিন নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকা।
পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পোষাক (নির্ধারিত ইউনিফরম) পরিধান করে মাদ্রাসায় আসা।
দৈনিক নিয়মিত কুরআন তেলাওয়াতসহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পর ফাজায়েলের সূরাগুলো তেলাওয়াত করা।
ছুটি ব্যতিত মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থাকলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের প্রদত্ত যে কোন শাস্তি মেনে নেওয়া।
চক, শ্লেট, ডাষ্টার, খাতা ও কলম ইত্যাদি শেষ হয়ে যাওয়ার পূর্বে অভিভাবককে অবগত করে সংগ্রহ করে নেওয়া।
সহপাঠিদের সাথে সুন্দর ও শালীন আচরণ করা।
ছোট বড় সবাইকে সালাম করা।
একে অপরের সাথে ঝগড়া-বিবাদ না করা।
রাস্তার ডান পাশ দিয়ে চলা।
সবসময় সত্য কথা বলা।
কাহারো কোন জিনিসপত্র অনুমতি ছাড়া না ধরা।
সুন্নাত মোতাবেক পোষাক পরিধান করা।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ যথা সময়ে আদায় করা।
ইচ্ছাকৃতভাবে এক ওয়াক্ত নামাজও ক্বাযা না করা।
পেশাব-পায়খানার সময় ঢিলা/কুলুক ও পানি ব্যবহার করা।
সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা।
বিনা কারণে কখনো দাঁড়িয়ে পেশাব না করা।
শরীয়ত মোতাবেক উস্তাদ, মা, বাবা ও মুরুব্বীগণের কথা মেনে চলা।
ওজু করার আগে মিসওয়াক করা।
চলতে ফিরতে মাসনূন দোয়াগুলি আদায় করা।
প্রত্যেক ভালো কাজ শুরু করতে বিসমিল্লাহ্ বলে শুরু করা।
টিভি, সিনেমা নাচ-গান ইত্যাদি কখনো না দেখা বা না শুনা।
সদা সর্বদা সুন্নাত মোতাবেক জীবন-যাপন করা।
শরীয়ত বিরোধী কোন অনুষ্ঠানে না যাওয়া।
অভিভাবকের দায়িক্ত
অভিভাবকগণ যথাসময়ে মাদরাসায় শিক্ষার্থীর আসা-যাওয়া নিশ্চিত করবেন।
শিক্ষার্থীকে মাদরাসা কর্তৃক নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিধান করে নিয়ে আসতে হবে।
অভিভাবক নিজ দায়িত্বে বাসায় পড়ালেখার ব্যবস্থা করাবেন।
কোন সমস্যা হলে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন।
চক-শ্লেট, খাতা-কলম ইত্যাদি শেষ হওয়ার আগেই সংগ্রহ করে দেওয়া।
ছাত্রের ছুটি প্রয়োজন হলে (অগ্রিম নির্ধারিত দরখাস্তের) মাধ্যমে ছুটি নিবেন।
আল্লাহ না করুন কোন ছাত্র-ছাত্রী অসুস্থ হলে মাদ্রাসার শিক্ষক মহোদয়কে অবগত করানো।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করানো।
নামাজের পর ফাজায়েলের সূরাসমূহ তিলাওয়াত করানো।
বাসায় শিক্ষার্থীর জন্য ইসলামী পরিবেশের ব্যবস্থা করবেন।
প্রতিদিন ডায়েরি দেখে ক্লাসের পড়া জেনে নিবেন।
প্রতিদিনের C.W, H.W খাতা চেক করবেন।
ছাত্রের C.T, M.T প্রস্তুতির প্রতি নজর রাখবেন এবং C.T, M.T রেজাল্ট জানার চেষ্টা করবেন।
সিলেবাস দেখে ‘আখলাকে হাসানা’ বিষয়গুলোর প্রতি ছাত্রকে উৎসাহিত করবেন।
মহিলা অভিভাবকগণ পর্দা সহকারে মাদরাসায় আগমন করবেন।
অভিভাবক সমাবেশে হাজির থাকবেন এবং গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদান করবেন।
যথাসময়ে ছাত্রকে এসেম্বলীতে অংশগ্রহণ করার ব্যবস্থা করবেন ।
মাদ্রাসার সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রাখা ও মাদ্রাসার আইন-কানুনকে শ্রদ্ধা করা।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাদ্রাসা কর্তৃক ধার্যকৃত মাসিক বেতন ও অন্যান্য ফি পরিশোধ করবেন।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষক মহোদয়গণের সঙ্গে সুন্দর আচরণ করা।
শিক্ষকবৃন্দের দায়িক্ত
নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই মাদ্রাসাতে প্রবেশ।
ক্লাসে যাওয়ার পূর্বে পাঠদানের পূর্ব প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা করা।
সঠিক সময়ে ক্লাসে প্রবেশ।
নূরানী পদ্ধতিতে পাঠদান এবং ক্লাসে শিক্ষার্থীদের পড়া মুখস্থ করানো।
শ্রেণিকক্ষে সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করা। প্রয়োজনে অতিরিক্ত শিক্ষকের সাহায্য গ্রহন।
পাঠদানের সময় মোবাইল ব্যবহার না করা।
পাঠদান ব্যতীত অন্যান্য দায়িক্ত যথাযথভাবে পালন করা।
মাদ্রাসার উন্নয়নের জন্য সুচিন্তিত মতামত প্রদান।
মাদ্রাসার ফান্ড বৃদ্ধির জন্য সচেষ্ট হওয়া।
পরিচালক এবং প্রধান শিক্ষক প্রদত্ত অন্যান্য দায়িক্ত যথাযথভাবে পালন করা।
ছাত্র-ছাত্রীদের সংশোধন পদ্ধতি
শিক্ষার্থীকে সংশোধন করার জন্য যা করা হবে-
নসিহত করা
ব্যক্তিগতভাবে মোটিভেশন করা
ক্রটিপূর্ণ বিষয়ে সতর্ক করা
Punishment এর আওতায় আনা, অভিভাবকসহ বসা এবং লিখিত অঙ্গিকারনামা নেয়া
এরপরও সংশোধিত না হলে T.C দেয়া হবে।
ছাত্র-ছাত্রীদের বহিষ্কার নীতিমালা
ছাত্রদের নৈতিক চরিত্রের চরম (অশ্লীল কথাবার্তা বা আচার-আচরণ/ চুরি/ধুমপান ইত্যাদি) অবনতির জন্য বহিষ্কার করা হবে।
ভর্তি পরবর্তী সময়ে কোন ছাত্রের ছোঁয়াচে অথবা বিকৃত রোগ (যা অন্যদের জন্য ক্ষতিকর) ধরা পড়লে তার ভর্তি সাময়িক/স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে।
কোন ছাত্র নিয়মিত বাড়ির কাজ না করলে, পড়া না পারলে, অপরিচ্ছন্ন থাকলে, ক্লাসে বই খাতা নিয়ে না আসলে ইত্যাদি কারণে তাকে ছাড়পত্র দিয়ে দেয়া হবে ।
ছুটি ছাড়া ১ মাস ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলে পুনরায় ভর্তি হতে হবে।
প্রতিষ্ঠান অথবা দেশ বিরোধী রাজনৈতিক কর্মকান্ড পরিলক্ষিত হলে ভর্তি বাতিল করা হবে।
ভর্তির নিয়মাবলী যে শ্রেণিতে ভর্তি করা হয় শিশু 1ম বর্ষ (প্লে), শিশু 2য় বর্ষ (নার্সারি), 1ম জামাত (1ম শ্রেণি), 2য় জামাত (2য় শ্রেণি), 3য় জামাত (3য় শ্রেণি) ভর্তি পরীক্ষার ধরন সম্মিলিত/একক পরীক্ষা। উভয় পদ্ধতিতে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ। যে সব বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হয় পরিচালনা পর্ষদ: 1। মো: হাফিজুর রহমান শেখ, পরিচালক 2। এস.এম. রেজোয়ানুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক 3। মিরাজ তাহসিন শিমুল, ব্যবস্থাপনা পরিচালক 4। এস.এম. কামরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক (অর্থ) 5। ইয়াসিন আরাফাত, সহকারী পরিচালক ( কারিকুলাম) 6। মো; বাহলুল কবির, সহকারী পরিচালক ( অবকাঠামো) 7। মো: ডালিম (শুভদিয়া) , সদস্য 8। মো: শারাফাত হোসেন (নোয়ালতলা), সদস্য 9। হাফেজ মো: বেল্লাল (ভান্ডারকোট), সদস্য
শ্রেণি ও বয়সসীমা ১০০/- (একশত) টাকার বিনিময়ে ভর্তি ফরম ও প্রসপেক্টাস সংগ্রহ করতে হবে। অনলাইনে আবেদন করলে 100 (একশত) টাকা পরিশোধের প্রামাণক জমা দিতে হবে। ভর্তির সময় 2 কপি পাসপোর্ট সাইজ ও 2 কপি স্ট্যাম্প সাইজের ছবি এবং প্রত্যয়নপত্র বা ছাড়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) জমা দিতে হবে। একটি নির্ধারিত চুক্তিপত্রে অভিভাবক স্বাক্ষর করবেন। ছাত্রের মূল অভিভাবক ছাড়াও অনুর্ধ্ব দুইজন অভিভাবক প্রতিনিধি ছাত্রের দেখাশুনার জন্য তাদের ঠিকানা ভর্তি ফরমে উল্লেখ করবেন। প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। উপদেষ্টা পর্ষদ: 1। এস. এম. জাকির হুসাইন (লেখক) 2। ড. মো: জহির রায়হান (টুটুল), 28 তম বিসিএস, সাধারণ শিক্ষা 3। মোহাম্মদ মুচ্ছাবিরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বাগেরহাট 4। চেয়ারম্যান, 5 নং ভান্ডারকোট ইউনিয়ন পরির্ষদ
ভর্তি প্রক্রিয়া
নূরানী 1ম বর্ষ (প্লে)
1ম জামাত (1ম শ্রেণি)
3য় জামাত (3য় শ্রেণি)
মাদ্রাসার নিয়ম-নীতি:
ছাত্র-ছাত্রীদের প্রবেশ
শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরুর 10 মিনিট আগে স্কুলে পৌঁছাতে হবে।
শিক্ষার্থীদের তাদের শিক্ষকদের "সালাম" দিয়ে অভিবাদন জানাতে হবে এবং তাদের ডান পা দিয়ে স্কুলে প্রবেশ করতে হবে।
ছাত্র-ছাত্রীদের বাহির
বাবা-মা/অভিভাবকদের অবশ্যই ক্লাস ছাড়ার 15 মিনিটের মধ্যে তাদের সন্তানদের নিয়ে যেতে হবে।
অভিভাবক না আসা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অবশ্যই তাদের শিক্ষকদের সঙ্গে নির্দিষ্ট এলাকায় চুপচাপ থাকতে হবে।
অভিভাবক/অভিভাবকদের স্কুলে আসার পরই শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দেওয়া হবে।
ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি/ দেরিতে উপস্থিতি
শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি দৈনিক ভিত্তিতে নেওয়া হবে এবং রেকর্ড করা হবে।
ক্লাস শুরুর ঠিক পরে আসা শিক্ষার্থীদের দেরি হিসাবে বিবেচনা করা হবে। প্রথম 10 মিনিটের জন্য 20 টাকা জরিমানা করা হবে। পরবর্তী 11-30 মিনিটের জন্য 50 টাকা জরিমানা হিসাবে চার্জ করা হবে।
30 মিনিটের পরে; শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উপস্থিত হতে দেওয়া হবে না (without strong valid reason).
এক সপ্তাহের মধ্যে তিনবার পুনরাবৃত্তির জন্য অতিরিক্ত 100 টাকা জরিমানা হিসেবে ধার্য করা হবে।
নূরানী 2য় বর্ষ (নার্সারি)
2য় জামাত (2য় শ্রেণি)
শিক্ষকদের ছুটি প্রদানের নীতি
সাধারণ ছুটি: নূরানী তা’লীমুল কুরআন বোর্ড বাংলাদেশ এর একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সরকারী ছুটি ও অন্যান্য ছুটি প্রাপ্য হবে।
নৈমিত্তিক ছুটি: কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে প্রতিস্থাপক শিক্ষক থাকা সাপেক্ষে শিক্ষকগণ বছরে 20 (বিশ) দিন নৈমিত্তিক ছুটি প্রাপ্য হবেন। পূর্বানুমতি ব্যাতীত অনুপস্থিত থাকলে ছুটিকাল গণনা করে বের্তন কর্তন করা হবে। মাদ্রাসার শুরুর সর্বোচ্চ 30 (ত্রিশ) মিনিট বিলম্বে উপস্থিত বিলম্ব উপস্থিতি গণনা করা হবে। 1 (এক) মাসে 3 (তিন) দিন বিলম্ব উপস্থিত হলে একদিনের বেতন কর্তন করা হবে। মাদ্রাসার শুরুর 30 (ত্রিশ) মিনিট বিলম্বে উপস্থিত হলে নৈমিত্তিক ছুটি হিসাবে গণনা করা হবে। এমন ধারা অব্যহত থাকলে কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদান করা হবে। পর্যায়ক্রমে বোর্ড মিটিয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে।
ছাত্র-ছাত্রীদের ইউনিফর্ম
ক্লাসে উপস্থিত থাকার জন্য স্কুলের ইউনিফর্ম বাধ্যতামূলক।
সমস্ত ছাত্রছাত্রীদের জন্য মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক।
মাসিক ফি এবং অন্যান্য খরচ
মাসের 5ম দিনের মধ্যে মাসিক টিউশন ফি প্রদান করতে হবে। মাসের 5 তারিখের পর বিলম্বিত পরিশোধের জন্য প্রতিদিন 25 টাকা জরিমানা ধার্য করা হবে। পিতামাতাকে মাসিক টিউশন ফি বিলম্বিত পরিশোধের জন্য বৈধ কারণ সহ আবেদন জমা দিতে হবে।
ছাত্র-ছাত্রীদের ছুটি প্রদানের নীতি
অসুস্থ ছুটিঃ একদিনের ছুটির জন্য অভিভাবক স্বাক্ষর সহ আবেদন জমা দিতে হবে। দুই দিনের বেশি সময় ছুটির জন্য ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ফটো কপি জমা দিতে হবে।
আগাম ছুটিঃ বৈধ কারণে অভিভাবকদের দ্বারা আবেদন জমা দিতে হবে এবং শিক্ষার্থীরা পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে ছুটি পেতে পারে।
ছুটি পাওয়ার 3 দিনের মধ্যে পিতামাতাকে অবশ্যই আবেদন এবং নথি জমা দিতে হবে, যদি না হয়; ছুটিটি অননুমোদিত হিসাবে বিবেচিত হবে এবং প্রতিটি দিনের জন্য 100 টাকা চার্জ করা হবে। ক্রমাগত অনুপস্থিতি/দেরিতে আসা স্কুল থেকে বরখাস্তের কারণ হতে পারে।